মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর পোস্ট: বাস্তবতার আড়ালে অপপ্রচার?

 
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কওমি ও মহিলা মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য করে বেশ কিছু নীতিবাচক ও আপত্তিকর দাবি ছড়িয়ে পড়তে দেখা গেছে। সামাজিক মাধ্যমের কিছু পোস্টে কতিপয় ব্যক্তির বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের উদাহরণ টেনে সমগ্র মহিলা মাদ্রাসা ব্যবস্থাকেই অধঃপতনের দিকে ঠেলে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তবে এই ধরনের প্রচারণাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ঢালাও মন্তব্য হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষক ও সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা গুটি কয়েক মানুষের অপকর্মের দায় পুরো একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বা প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুক্তিযুক্ত নয়। কওমি ও মহিলা মাদ্রাসায় হাজার হাজার শিক্ষার্থী দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছেন। বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার জের ধরে পুরো গোষ্ঠীকে ঢালাওভাবে দোষারোপ করা এক ধরনের সাধারণীকরণের ভুল।

এছাড়া, সামাজিক মাধ্যমের বিভিন্ন ভয়েস ক্লাব বা প্লাটফর্মে ফেক আইডি ব্যবহার করে মাদ্রাসার নাম ভাঙিয়ে অপপ্রচার চালানোর বিষয়টিও উঠে এসেছে। অনেক সময় ইসলামবিদ্বেষী কিছু গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী মহল কওমি ও মহিলা মাদ্রাসার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে এমন কর্মকাণ্ড চালিয়ে থাকে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কাউকে নির্দিষ্ট পরিচয়ে উপস্থাপন করলেই তিনি প্রকৃত অর্থে সেই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী কি না—তা যাচাই করা কঠিন।

তাই সামাজিক যোগাযোযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও বিতর্কিত মন্তব্য দেখে হুট করে কোনো সিদ্ধান্ত না নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হচ্ছে।