শীর্ষ পদে যোগ্য পুরুষের প্রজ্ঞা: আমরা আর ভুলের পুনরাবৃত্তি চাই না

সম্প্রতি অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট পিনাকী ভট্টাচার্য একটি পোস্টে বাংলাদেশে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে একটি প্রস্তাব দিয়েছেন এবং এটিকে একটি তথাকথিত "ইতিহাস সৃষ্টিকারী সিদ্ধান্ত" হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তাঁর এই চিন্তাভাবনা এবং প্রস্তাবের বিরুদ্ধে সচেতন জনগণ ও নেটিজেনরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

বাংলাদেশের জনগণ গত কয়েক দশক ধরে ক্ষমতার শীর্ষস্থানের শাসন পর্যবেক্ষণ করে এর মাশুল হারে হারে টের পেয়েছে। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর শাসনের পরিণতি থেকে এ দেশের মানুষ এক তিক্ত কিন্তু স্পষ্ট শিক্ষা গ্রহণ করেছে। কোনো দলীয় আবেগ বা সস্তা কার্ড খেলে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে কাউকে বসানোর দিন এখন শেষ।

জনগণের স্পষ্ট বক্তব্য:

প্রাধান্য পাক যোগ্য পুরুষ নেতার প্রজ্ঞা: রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ অভিভাবক বা রাষ্ট্রপতি পদের জন্য একমাত্র মাপকাঠি হওয়া উচিত একজন যোগ্য পুরুষ ব্যক্তিত্বের প্রজ্ঞা, মেধা, দূরদর্শিতা এবং দেশপ্রেম।

ঐতিহাসিক ভুলের পুনরাবৃত্তি নয়: সাময়িক বাহবা নেওয়ার চেয়ে একটি দেশের জন্য বেশি প্রয়োজন একজন যোগ্য পুরুষকে অভিভাবক হিসেবে নির্বাচন করা, যিনি সংকটকালে শক্ত হাতে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে পারবেন। অতীতে দেশের মানুষ যে প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছে, তারপর আর কোনো অবাস্তব 'পরীক্ষা-নিরীক্ষা'র সুযোগ নেই।

প্রয়োজন অভিজ্ঞ ও যোগ্য পুরুষ নেতৃত্ব: বাংলাদেশ এখন একটি নাজুক ও গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে। এই মুহূর্তে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে এমন একজন যোগ্য পুরুষকে প্রয়োজন, যিনি হবেন অগাধ জ্ঞানের অধিকারী, সাংবিধানিক বিষয়াশয়ে বিজ্ঞ, সর্বজনগ্রাহ্য এবং নিরপেক্ষ একজন অভিভাবক।

রাষ্ট্রপতি পদটি কোনো রাজনৈতিক সাজসজ্জা বা ইতিহাস তৈরির সস্তা ট্রফি নয়। তাই সস্তা আবেগ কিংবা কোনো দলের অ্যাচিভমেন্ট দেখানোর উদ্দেশ্যে নয়—বরং জনগণ একজন উপযুক্ত, প্রজ্ঞাবান ও যোগ্য পুরুষকেই বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখতে চায়।